১৬. জিনোম সিকোয়েন্স প্রয়োগ করা হয়—
i. অপরাধী শনাক্তকরণে
ii. ক্যালাস সৃষ্টিতে
iii. জিন থেরাপিতে
ব্যাখ্যা (Explanation):
১. অপরাধী শনাক্তকরণে (i): জিনোম সিকোয়েন্সিং বা DNA সিকোয়েন্সিং অপরাধী শনাক্তকরণে এবং পিতৃত্ব নির্ধারণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সঠিক তথ্য।
২. ক্যালাস সৃষ্টিতে (ii): ক্যালাস সৃষ্টি হলো টিস্যু কালচার (Tissue Culture) প্রযুক্তির একটি ধাপ। এটি জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর সরাসরি প্রয়োগ নয়। টিস্যু কালচারে কোনো কোষ বা টিস্যু থেকে অবিভাজিত কোষের পিণ্ড তৈরি করা হয়, যাকে ক্যালাস বলে।
৩. জিন থেরাপিতে (iii): জিন থেরাপি হলো ত্রুটিপূর্ণ জিন প্রতিস্থাপন বা সংশোধনের মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা। এই প্রক্রিয়ায় রোগীর জিনের গঠন বা সিকোয়েন্স জানা অত্যন্ত জরুরি। তাই জিন থেরাপির ক্ষেত্রেও জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রয়োগ করা হয়।