মিয়োসিসের প্রথম বিভাজনের প্রোফেজ-১ পর্যায়ে কায়াজমা সৃষ্টি হয়। এই প্রোফেজ-১ পর্যায়কে আবার পাঁচটি উপপর্যায়ে ভাগ করা যায়: লেপ্টোটিন, জাইগোটিন, প্যাকাইটিন, ডিপ্লোটিন এবং ডায়াকিনেসিস। প্যাকাইটিন উপপর্যায়ে হোমোলোগাস ক্রোমোসোমগুলি একে অপরের খুব কাছাকাছি এসে জোড়া বা সিন্যাপস গঠন করে। এই সময় ক্রোমাটিডগুলি মোটা হয়ে ওঠে এবং একটি সিন্যাপটোনেমাল কমপ্লেক্স গঠিত হয়। এই কমপ্লেক্সের মধ্য দিয়েই কায়াজমা বা ক্রসিং ওভার ঘটে। কায়াজমা হল হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে যোগাযোগের বিন্দু। এই বিন্দুতে জিনগত উপাদানের বিনিময় ঘটতে পারে, যাকে ক্রোমোসোমাল ক্রসওভার বলা হয়। এই বিনিময়ের ফলে নতুন ধরনের জিনের সংমিশ্রণ তৈরি হয় এবং জীবের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।